রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
✆ন্যাশনাল কল সেন্টার:৩৩৩| স্বাস্থ্য বাতায়ন:১৬২৬৩|আইইডিসিআর:১০৬৬৫|বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন:০৯৬১১৬৭৭৭৭৭
সংবাদ শিরোনাম
আসন্ন সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে ত্যাগী নেতা শরীফ হোসেনকে দেখতে চায় ৩৮ নং ওয়ার্ডের ওয়ারীবাসী আগামী উপজেলা নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন :মতবিনিময় সভায় বদরুচ মেহের ২৫নং রামপুর ওয়ার্ড বাসীর কাছে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী দিদারুল আলম নেভির নির্বাচনী কাঠামো আমুচিয়া ইউনিয়নের জনগণের কাছে সম্ভাব্য প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেনের নির্বাচনী কাঠামো জাতীয়তাবাদী চর্চাকে পৃষ্ঠপোষকতা করলে দলীয় আদর্শ আরও প্রসারিত হবে — জাহিদুল করিম কচি শহীদ জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও মিরেশ্বরাই কৃষক দলের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক : শাহনুর শাহিন হিরু জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক : বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম ডায়মন্ড সিমেন্টের ডিলারদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত পোপাদিয়া সমাজ কল্যাণ সমিতি গঠিত: সভাপতি জসিম সম্পাদক সাইমন

গ্রাহকরা টিকার সনদ পত্রের বাধ্যবাধকতা মানতে চান না : সৈয়দ আবদুল হান্নান বাবু

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

স্টাফ রিপোর্টার :
বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদুল হান্নান বাবু তৃতীয় ঢেউয়ে করোনা সনাক্তের উর্ধ্বগতির হার বৃদ্ধি জনিত কারণে ১১দফা সরকারি নির্দেশনা হোটেল রেস্তোরাঁয় টিকার সনদপত্র ছাড়া খাবার না নেয়ার বাধ্যবাধকতা গ্রাহকরা মানতে চান না বলে দাবী করেছেন।

সৈয়দ আবদুল হান্নান বাবু

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গ্রাহকদের যুক্তি হলো- দেশের মোট ১৮কোটি মানুষের মধ্যে এই পর্যন্ত এক তৃতীয়াংশ বা ৬কোটি মানুষ টিকা নিতে পেরেছেন। এর মধ্যে অর্ধেক এর বেশি টিকা গ্রহীতা সনদপত্র পাননি বা প্রক্রিয়াধীন আছে। প্রতিদিনই কর্মদিবসে অফিস আদালত, ব্যাংক-বীমাসহ অসংখ্য সরকারী-বেসরকারী সংস্থা, বাজার, শপিংমলে কয়েক লক্ষ মানুষ জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। এদের নৈমক্তিক খাবার-দাবার হোটেল-রেস্তোরঁায় করতে হয়। তাহলে এখনই যারা টিকার সনদপত্র পাননি বা টিকা নেনটি তাদের বিশাল জনগোষ্ঠীর উপোস থাকা ছাড়া উপায় নেই। যা অমানবিক ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী এবং অযৌক্তিক। উক্ত বিবৃতিতে আরো বলা হয়, হোটেল রেস্তোরাঁয় অবশ্যই স্বাস্থ্য-বিধি ও সরকারী নির্দেশনা মেনে চলা উচিত। কোথাও স্বাস্থ্য লঙ্ঘিত হলে প্রশাসন পদক্ষেপ নিতে পারেন এবং যুক্তিসম্মত শাস্তি বা জরিমানা ধার্য করা যেতে পারে। জরিমানার অংক যদি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে থাকে তা যৌক্তিক। কিন্তু জরিমানার অংক যদি এক লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায় একজন মালিকের পক্ষে তা বহন করা অসাধ্য। আমরা চাই প্রশাসন আমাদের সতর্ক ও সজাগ করতে কার্যক্রম অব্যাহত রাখুক।

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

Archive

© All rights reserved © 2021 Dainiksomor.net
Design & Developed BY N Host BD